Pages

Showing posts with label স্বলাত বা নামায. Show all posts
Showing posts with label স্বলাত বা নামায. Show all posts

প্রশ্নঃ দাফনের সময় কোনো মাসনূন দুআ আছে কিনা?

উত্তরঃ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নিচে আপনার এবিষয়ে কিছুটা আলোকপাত করা হল।আশা করি আপনি তাতে আপনার উত্তর খুঁজে পাবেন । ইনশাল্লাহ। 
জী¡ হা, দাফনের সময় মাসনূন দোয়া আছে । যনিি কবরে মৃত ব্যাক্তকিে কবরে নামাবনে তনিি নামানোর সময় নম্নিরে দোয়াটি পাঠ করবনে। হাদীসএেসছেে রাসূল সাঃ যখন কোন ব্যাক্তকিে কবরে রাখতনে তখন তনিি এই দোয়াটি পাঠ করতনে।
عن نافع عن ابن عمر : أن النبي صلى الله عليه و سلم كان إذا أدخل الميت القبر قال مرة بسم الله وبالله وعلى ملة رسول الله وقال مرة بسم الله وبالله وعلى سنة رسول الله صلى الله عليه و سلم
তরিমযিী রহঃ এই সনদে হাদীসটকিে হাসান গরীব বলছেনে এবং শায়খে আলবানী রহঃ সহীহ বলছেনে। সুনানে তরিমযিী, ৩/৩৬৪,তাহকীক, আহমাদ শাকরে এবং আলবানী।
 

বিতিরের নামায কি সালাতুল লাইল (রাতের নামায) থেকে আলাদা কিছু


প্রশ্ন: বিতিরের নামায ও রাতের নামাযের মধ্যে কোন পার্থক্য আছে কি?
উত্তর: আলহামদুলিল্লাহ। বিতিরের নামাযও এক প্রকার রাতের নামায। তবে, তারপরেও রাতের নামাযের সাথে বিতিরের নামাযের কিছু পার্থক্য রয়েছে।
শাইখ বিন বায (রহঃ) বলেন:
বিতিরের নামায একপ্রকার রাতের নামায, এটি আদায় করা সুন্নত এবং এটি রাতের নামাযের সর্বশেষ নামায। বিতিরের নামায এক রাকাত; যে এক রাকাত নামায দিয়ে রাতের নামাযের সমাপ্তি টানা হয়।

এটি রাতের শেষাংশে কিংবা মধ্যরাতে কিংবা এশার পর রাতের প্রথমাংশে আদায় করা হয়। যত রাকাত ইচ্ছা রাতের নামায পড়ার পর এক রাকাত বিতিরের নামায দিয়ে শেষ করা হয়।

প্রশ্ন : প্রত্যেক রাক‘আতে সূরা ফাতিহার পর একই সূরা পাঠে কোন বাধা আছে কি ?


উত্তর: এতে কোন বাধা নেই। আল্লাহ বলেন, কুরআন থেকে তোমার যা সহজ তা পাঠ কর’।
(মুয্যাম্মিল ৭৩/২০)
একদা রাসূল (ছাঃ) ফজরের দু’রাক‘আত ছালাতেই সূরা যিলযাল পাঠ করেন’। (আবুদাউদ হা/৮১৬, সনদ হাসান)
অন্য একদিন তিনি মাগরিবের দু’রাক‘আতেই সূরা আ‘রাফ (অর্থাৎ তার কিছু অংশ) পাঠ করে... (তিরমিযী হা/৩০৮; ইবনু মাজাহ হা/৮৩১, সনদ ছহীহ)
তবে এসবই সাময়িক আমল। অধিকাংশ সময় তিনি ভিন্ন ভিন্ন সূরা পাঠ করতেন।
ইবনুল ক্বাইয়িম (রহঃ) বলেন, আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) খুব কমই দু’রাক‘আতে একই সূরা পাঠ করেছেন’। (যাদুল মা‘আদ ১/২০৭)
অতএব প্রত্যেক রাক‘আতে ভিন্ন ভিন্ন সূরা বা আয়াত পাঠ করাই উত্তম। যদিও একই সূরা পাঠে বাধা নেই।

প্রশ্ন : মসজিদের সেফটি ট্যাংক মসজিদের বারান্দার নীচে নির্মিত হ’লে, তার উপরে ছালাত আদায় করা যাবে কি?

উত্তর : সেফটি ট্যাংকের উপরিভাগ পবিত্র থাকলে তার উপর ছালাত আদায় করা যাবে। (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/৩৮০)
আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, কবরস্থান ও গোসলখানা ব্যতীত সম্পূর্ণ পৃথিবী ছালাতের স্থান’। (আবুদাঊদ হা/৪৯২; মিশকাত হা/৭৩৭)
তিনি আরো বলেন, ‘সমগ্র যমীনকে আমার জন্য পবিত্র এবং সিজদার স্থান বানিয়ে দেয়া হয়েছে’। (বুখারী হা/৪৩৮, মিশকাত হা/৫৭৪৭)

প্রশ্নঃ কি কি কারণে নামায বাতিল হয়ে যায়?


উত্তরঃ এমন বহু কর্ম আছে, যা নামাযের ভিতরে করলে নামায বাতিল হয়ে যায়। সে সব কর্মের কিছু নিম্নরুপ:-

১। অপ্রয়োজনে নামাযের ভিতর এত বেশী নড়া-সরা বা চলা-ফেরা করা যাতে অন্য কেউ দেখলে এই মনে করে যে, সে নামায পড়ে নি। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৩/৩৫২-৩৫৩)

২। নামাযের কোন রুক্‌ন বা শর্ত ত্যাগ করা:-
ধীর-স্থিরভাবে নামায না পড়ার কারণে মহানবী (সাঃ) নামায ভুলকারী সাহাবাকে তিন-তিনবার ফিরিয়ে নামায পড়তে আদেশ করেছিলেন। (বুখারী, মুসলিম, প্রমুখ, মিশকাত ৭৯০ নং) কারণ, ধীর-স্থির ও শান্তভাবে নামায পড়া নামাযের এক রুক্‌ন ও ফরয। যা ত্যাগ করার পর সহু সিজদাহ করলেও সংশোধন হয় না।
অনুরুপ সূরা ফাতিহা, রুকূ, কোন সিজদাহ, সালাম বা অন্য কোন রুক্‌ন ত্যাগ করলে নামাযই হয় না।
নামায পড়তে পড়তে কারো ওযু ভেঙ্গে গেলে তার নামায বাতিল। নামায ত্যাগ করে পুনরায় ওযূ করে এসে নতুনভাবে নামায পড়তে হবে। (আবূদাঊদ, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, মিশকাত ১০০৭ নং) অবশ্য ওযূ ভাঙ্গার নিছক সন্দেহের কারণে নামায বাতিল হয় না।

নামায পড়তে পড়তে শরমগাহ্‌ বের হয়ে পড়লে, মহিলাদের পেট, পিঠ, হাতের বাজু, চুল ইত্যাদি প্রকাশ হয়ে পড়লে (তা কোন বেগানা পুরুষ দেখতেপাক অথবা না পাক) নামায বাতিল হয়ে যায়।

কারো নামায পড়ার পর যদি মনে পড়ে যে সে বিনা ওযূতে নামায পড়েছে, অথবা কাপড়ে (নিজের) বীর্য (স্বপ্নদোষ) বা (মহিলা) মাসিকের চিহ্ন দেখে, তাহলে নামায শুদ্ধ হয় নি। যথা নিয়মে পবিত্র হওয়ার পর সে নামায পুনরায় পড়তে হবে। কারণ, দেহ্‌ নাপাক রেখে নামাযই হয় না।

পক্ষান্তরে নামায পড়ার পর যদি দেখে, কাপড়ে প্রস্রাব, পায়খানা বা অন্য কোন নাপাকী লেগে আছে; অর্থাৎ সে তা নিয়েই নামায পড়েছে, তাহলে না জানার কারণে তার নামায শুদ্ধ হয়ে যাবে। আর ফিরিয়ে পড়তে হবে না। কারণ, বাইরের কাপড়ে (অনুরুপ কোন অঙ্গে) নাপাকী লেগে থাকলেও তার দেহ্‌ আসলে পাক ছিল। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/১৯৮, ২৯৮)

৩। জেনেশুনে ইচ্ছাকৃত কথা বলা:-
আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) বলেন, নবী (সাঃ) এর নামায পড়া অবস্থায় আমরা তাঁকে সালাম দিতাম এবং তিনি সালামের উত্তরও দিতেন। অতঃপর যখন নাজাশীর নিকট থেকে ফিরে এলাম, তখন সালাম দিলে তিনি উত্তর দিলেন না। পরে কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, “নামাযে মগ্নতা আছে।” (বুখারী ১১৯৯ নং, মুসলিম, সহীহ প্রমুখ)
অবশ্য নামাযে কথা বলা হারাম তা না জেনে যদি কেউ কথা বলেই ফেলে, তাহলে তার নামায বাতিল নয়।

৪। পানাহার করা:-নামায পড়তে পড়তে খেলে অথবা পান করলে নামায বাতিল হয়ে যায়। মুখের ভিতর পান, গালি (?), চুইংগাম প্রভৃতি রেখে নামায হয় না। কারণ এ কাজ নামাযের পরিপন্থী। (ফিকহুস সুন্নাহ্‌ ১/২৪০, ফিকহুস সুন্নাহ্‌ উর্দু ১৩০ পৃ:)

৫। হাসা:-হাসলেও অনুরুপ কারণে নামায বাতিল পরিগণিত হয়। (ফিকহুস সুন্নাহ্‌ ১/২৪০, ফিকহুস সুন্নাহ্‌ উর্দু ১৩০পৃ:) অবশ্য কোন হাস্যকর জিনিস দেখে অথবা হাস্যকর কথা শুনে হাসি চেপে রাখতে না পেরে যদি কেউ মুচকি হাসি (শব্দ না করে) হেসে ফেলে, তাহলে তার নামায বাতিল হবে না।
৬। পিতার হারাম উপায়ে উপর্জিত অর্থ খেলে ও ব্যয় করলে পুত্রের নামায বাতিল নয়। তবে সেই অর্থ ব্যবহার না করতে যথাসাধ্য প্রয়াস থাকতে হবে।

৭। গাঁটের নিচে কাপড় ঝুলিয়ে নামায পড়লে ওযূ ও নামায কিছুই বাতিল হয় না। অবশ্য এমন কাজ করলে তার উপর থেকে মহান আল্লাহর সুনজর ও দায়িত্ব উঠে যায়। (ফাতাওয়া ইসলামিয়্যাহ্‌, সঊদী উলামা-কমিটি ১/৩০১)

৮। কোন কারণে ইমামের নামায বাতিল হলে পশ্চাতে মুক্তাদীদের নামায বাতিল নয়। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ২/৩১৫-৩১৭) এ বিষয়ে ইমামতির বিবরণ দ্রষ্টব্য।

প্রশ্নঃ রফউল ইয়াদাইন এর ব্যাপারে কিছু কথা জানতে চাই ?


উত্তর: রফউল ইয়াদাইনের অর্থ হাত উঠানো। বিভিন্ন হাদীসে রফউল ইয়াদাইন সম্পর্কে আমরা জানতে পারি। কোনো হাদীসে একবার, কোনো হাদীসে তিনবার, কোনো হাদীসে চারবার, পাঁচবার রফউল ইয়াদাইন করার কথা আছে। সবগুলোই সহিহ। যেকোনো একটি পদ্ধতি অবলম্বন করলেই সুন্নাহ অনুসরণ করা হবে।

চেয়ারে বসে সালাত আদায়ের পদ্ধতি

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহূ
বসে সালাত করতে গিয়ে অনেকেই ভুল করে থাকে। কারণ অনেকেই এর বিবিধ অবস্থা ও চেয়ারে বসে সালাত আদায়ের পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত নয়। তাই নিম্নে তার কিছু বর্ণনা দেওয়া হচ্ছে।আমরা আশা করি এখান থেকে অনেক উপকার পাবেন ইন শা আল্লাহ। আল্লাহ আমাদের নেক আমল গুলো কবুল করুন। আমীন।